আর যারা তাদের স্ত্রীদের থেকে 'যিহার’ করে, তারপর তারা যা বলেছে তা প্রত্যাহার করে, সেক্ষেত্রে একে-অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসের মুক্তিদান। এইটির দ্বারাই তোমাদের নির্দেশ দেওয়া হলো। আর তোমরা যা করছ সে-সন্বন্ধে আল্লাহ্ চির- ওয়াকিফহাল।
আল্লাহ্ আলবৎ তার কথা শুনেছেন যে তার স্বামী সন্বন্ধে তোমার কাছে অনুযোগ করছে আর আল্লাহ্র নিকট ফরিয়াদ করছে, আর আল্লাহ্ তোমাদের দুজনের কথোপকথন শুনেছেন। নিশ্চয় আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা, সম্যক দ্রষ্টা।
তোমাদের মধ্যের যারা তাদের স্ত্রীদের থেকে 'যিহার’ করে, -- তারা তাদের মা নয়। তাদের মায়েরা তো শুধু যারা তাদের জন্মদান করেছে তারা বৈ তো নয়। আর তারা তো নিঃসন্দেহ কথা বলছে এক গর্হিত কথা ও একটি ডাহা মিথ্যা। আর নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ নিশ্চিত মার্জনাকারী, পরিত্রাণকারী।
কিন্ত যে খোঁজে পায় না, তবে একে-অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে পরপর দুই মাস রোযা রাখা। কিন্ত যে শক্তি রাখে না, তা’হলে ষাটজন অভাবগ্রস্তকে খাওয়ানো। এ এজন্য যে তোমরা যেন আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, আর এগুলো হচ্ছে আল্লাহ্র বিধি-নিষেধ। আর অবিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।
নিঃসন্দেহ যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে তাদের অপদস্থ করা হবে যেমন অপদস্থ করা হয়ে ছিল তাদের যারা ছিল এদের পূর্ববর্তী, আর আমরা সুস্পষ্ট নির্দেশাবলী অবতারণ করেই দিয়েছি। আর অবিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।
একদিন আল্লাহ্ তাদেরকে একই সঙ্গে উঠিয়ে আনবেন, তখন তিনি তাদের জানিয়ে দেবেন কি তারা করেছিল। আল্লাহ্ এর হিসাব রেখেছেন যদিও তারা তা ভুলে গেছে। বস্তুত আল্লাহ্ সব-কিছুর উপরে সাক্ষী রয়েছেন।